চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, চালক-হেলপারসহ গ্রেপ্তার ৩
ছবিঃ সংগৃহীত
স্থানীয় সংবাদ
ঢাকার আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বাসটি থামিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তারা জানায়, বাসটির চালক ও হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) মধ্যরাতে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- বাসের হেলপার মো. মুসফেকুর রহমান জনি (২০), বাসের চালক মো. ইমরান (৩৫) এবং চালকের পরিচিত মো. সুমন প্রামানিক (৩০)।
পুলিশ জানায়, শনিবার মধ্যরাত দেড়টার দিকে ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সাভারের নবীনগর যেতে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন এক নারী ও তার পরিচিত ব্যক্তি। নবীনগর পৌঁছানোর আগেই বাসের অন্যান্য যাত্রীরা বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে নেমে যান। নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর আগে চালক ইমরান তার সহযোগী জনিকে বাস চালানোর দায়িত্ব দেন। পরে চালক ওই নারীর পরিচিত ব্যক্তিকে মারধর করেন এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেন।
পুলিশজানায়, পরে সুমনের সহায়তায় জনি চলন্ত বাসে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগী নারী চিৎকার করেন। বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া ব্যক্তি দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অপর একটি বাস দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে সাভার পরিবহনের ওই বাসটি থামায়। পরে বাস থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধারসহ জনি ও সুমনকে বাস আটক করে।
এঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী নারী। রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশের একটি দল আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে বাসচালক ইমরানকে গ্রেপ্তার করে।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে বিষটি জানতে পেরে পুলিশের একটি দল ভুক্তভোগীকে উদ্ধারসহ দুজনকে আটক করে। পরে রাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। ওই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে থেকে অপর আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়।”